
প্রপ ফার্ম চ্যালেঞ্জে ৯৫% ট্রেডার ব্যর্থ হন শুধুমাত্র সঠিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অভাবে।
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল মূলত বড় লট সাইজ ব্যবহারের পরিবর্তে ছোট রিস্ক এবং কনসিস্টেন্সির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
উইমাস্টারট্রেড (WeMasterTrade) এ সফল হতে হলে ৫% ডেইলি ড্রডাউন লিমিট রক্ষা করা এবং ন্যূনতম ১:২ রিস্ক-রিওয়ার্ড রেশিও মেনে চলা অপরিহার্য।
প্রপ ট্রেডিংয়ের দুনিয়ায় প্রবেশ করা সহজ হলেও ফান্ডেড অ্যাকাউন্ট ধরে রাখা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। অধিকাংশ ট্রেডার ইভাল্যুয়েশন ফেইল করেন কারণ তারা প্রপ অ্যাকাউন্টকে তাদের ব্যক্তিগত ছোট অ্যাকাউন্টের মতো করে ট্রেড করেন।
কিন্তু প্রপ ফার্মের জন্য প্রয়োজন ভিন্ন এক মনস্তত্ত্ব এবং গাণিতিক শৃঙ্খলা।
ইমোশন বাদ দিয়ে একটি গাণিতিক এবং মেকানিক্যাল সিস্টেম ফলো করলে উইমাস্টারট্রেড চ্যালেঞ্জ কীভাবে পাস করব, এই প্রশ্নের উত্তর অত্যন্ত সহজ হয়ে যায়। এই গাইডে আমরা সেই প্রুভেন মেথডগুলো সরাসরি ব্রেকডাউন করেছি।
ইভাল্যুয়েশন ফেইল হওয়ার মূল কারণ: ওভার-লেভারেজ এবং ইমোশন
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশনে বেশিরভাগ ট্রেডার টেকনিক্যাল দুর্বলতার কারণে নয়, বরং ওভার-লেভারেজ এবং ইমোশনাল সিদ্ধান্তের কারণে ফেইল করেন, কারণ একটি মুহূর্তের আবেগী ট্রেড পুরো ইভাল্যুয়েশন শেষ করে দিতে যথেষ্ট।

ওভার-লেভারেজ কীভাবে ড্রডাউন লিমিট ভেঙে দেয়
লস হওয়ার পর অনেক ট্রেডার দ্রুত রিকভারির আশায় লট সাইজ বাড়িয়ে দেন। এই সিদ্ধান্তটি ইভাল্যুয়েশন ফেইলের সবচেয়ে সাধারণ কারণ।
উদাহরণ হিসেবে ধরুন কেউ সাধারণত ০.০১ লটে ট্রেড করেন কিন্তু লসের পর ০.০৫ বা ০.১০ লটে ট্রেড নেন। এই একটি সিদ্ধান্তই ড্রডাউন লিমিট দ্রুত হিট করিয়ে দেয়।
নিচের টেবিলে দেখুন একই স্টপ লসে বিভিন্ন লট সাইজে ড্রডাউনের পার্থক্য কতটা বড় হতে পারে:
| লট সাইজ | স্টপ লস (পিপস) | একটি ট্রেডে লস (USD) | ১০,০০০ USD অ্যাকাউন্টে ড্রডাউন |
| ০.০১ | ১০০ | $১০ | ০.১০% |
| ০.০৫ | ১০০ | $৫০ | ০.৫০% |
| ০.১০ | ১০০ | $১০০ | ১.০০% |
| ০.৫০ | ১০০ | $৫০০ | ৫.০০% |
| ১.০০ | ১০০ | $১,০০০ | ১০.০০% |
রিভেঞ্জ ট্রেডিং এবং FOMO যেভাবে ইভাল্যুয়েশন শেষ করে
গবেষণায় দেখা গেছে ট্রেডিং সাইকোলজি ঠিক না থাকলে বিশ্বের সেরা স্ট্র্যাটেজি দিয়েও প্রপ চ্যালেঞ্জ পাস করা কার্যত অসম্ভব।
রিভেঞ্জ ট্রেডিং তখনই শুরু হয় যখন একজন ট্রেডার লসের পর ইমোশনাল হয়ে পরিকল্পনার বাইরে গিয়ে ট্রেড নেন।
একইভাবে FOMO বা ফিয়ার অফ মিসিং আউটের কারণে কোনো সেটআপ ছাড়াই শুধু ট্রেন্ড মিস করার ভয়ে এন্ট্রি নেওয়া হয়।
এই দুটি অভ্যাস একসাথে কাজ করলে ইভাল্যুয়েশনের ড্রডাউন লিমিট মাত্র কয়েকটি ট্রেডেই শেষ হয়ে যায় এবং পুরো চ্যালেঞ্জ ফি নষ্ট হয়।
ইমোশন কন্ট্রোল করার তিনটি কার্যকর নিয়ম
ইভাল্যুয়েশনে সফল হতে হলে নিচের তিনটি নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
- প্রথমত ওভার-লেভারেজ এড়াতে প্রতিটি ট্রেডে অ্যাকাউন্ট ইকুইটির সর্বোচ্চ ১ থেকে ২ শতাংশ রিস্ক নেওয়ার নিয়ম তৈরি করুন এবং সেটি কখনো ভাঙবেন না।
- দ্বিতীয়ত রিভেঞ্জ ট্রেডিং বর্জন করতে লস হওয়ার পর কমপক্ষে ২ ঘণ্টা চার্ট থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন এবং মাথা ঠান্ডা হওয়ার পর বিশ্লেষণ করুন।
- তৃতীয়ত FOMO নিয়ন্ত্রণ করতে প্রতিটি ট্রেডের আগে নির্দিষ্ট চেকলিস্ট অনুসরণ করুন এবং সেটআপ না মিললে বাজার মিস করাকে সঠিক সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করুন।
উইমাস্টারট্রেড ড্রডাউন রুলস হ্যাক: ৫% ডেইলি লিমিট কিভাবে বাঁচাবেন?
উইমাস্টারট্রেডের ড্রডাউন রুলস না বুঝে ট্রেড করলে একটি খারাপ দিনেই পুরো ইভাল্যুয়েশন শেষ হয়ে যেতে পারে, তাই ৫% ডেইলি লিমিটকে কখনো স্পর্শ না করে নিরাপদ থাকার কৌশল আগে থেকেই জানা থাকা জরুরি।
৫% ডেইলি ড্রডাউন লিমিট আসলে কীভাবে হিসাব হয়
উইমাস্টারট্রেড চ্যালেঞ্জ রুলস অনুযায়ী ডেইলি ড্রডাউন সাধারণত দিনের শুরুতে থাকা ব্যালেন্স বা ইকুইটির ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়।
অর্থাৎ আপনি যদি দিনের শুরুতে ১০,০০০ ডলার ব্যালেন্স নিয়ে শুরু করেন, তাহলে সেই দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৫০০ ডলার লস করা যাবে।
এই লিমিট অতিক্রম করলে সাথে সাথে অ্যাকাউন্ট ভায়োলেশন হয়ে যায় এবং ইভাল্যুয়েশন বাতিল হয়। অনেক ট্রেডার ভুলবশত ওপেন পজিশনের ফ্লোটিং লসকে হিসাবে ধরেন না, কিন্তু ফ্লোটিং লসও ড্রডাউন হিসাবের মধ্যে পড়ে।
বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট সাইজে ড্রডাউন এবং ম্যাক্সিমাম লসের হিসাব
| অ্যাকাউন্টের ধরন | ডেইলি ড্রডাউন (৫%) | ম্যাক্সিমাম লস (১০%) | পার্সোনাল সেফটি লিমিট (৩%) |
| $১০,০০০ | $৫০০ | $১,০০০ | $৩০০ |
| $৫০,০০০ | $২,৫০০ | $৫,০০০ | $১,৫০০ |
| $১০০,০০০ | $৫,০০০ | $১০,০০০ | $৩,০০০ |
৩% পার্সোনাল স্টপ লিমিট সেট করার কৌশল
উইমাস্টারট্রেডের ৫% ডেইলি ড্রডাউন লিমিট সুরক্ষা করার সবচেয়ে কার্যকর কৌশল হলো নিজের জন্য ৩% এর একটি পার্সোনাল স্টপ লস লিমিট নির্ধারণ করা।
যেদিন লস ৩% এ পৌঁছাবে সেদিনের মতো ট্রেডিং সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে। এই কৌশলে বাকি ২% বাফার হিসেবে থাকে যা স্লিপেজ বা হঠাৎ বড় মুভমেন্টের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়।
প্রপ ফার্ম ড্রডাউন ক্যালকুলেশন নিয়ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে ইমোশনাল সিদ্ধান্তে লট সাইজ বাড়ানোর প্রবণতা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসে এবং ইভাল্যুয়েশন পাস করার সম্ভাবনা অনেকগুণ বেড়ে যায়।
চ্যালেঞ্জ পাস করার জন্য সেরা ৩টি সুইং এবং ডে-ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করতে হলে শুধু ভালো ট্রেড করলেই চলবে না, মেকানিক্যাল এবং নিয়মনিষ্ঠ স্ট্র্যাটেজি অনুসরণ করতে হবে যেখানে প্রতিটি ট্রেডে রিস্ক রিওয়ার্ড রেশিও নিশ্চিত থাকে।

ইভাল্যুয়েশন পাস করার সহজ উপায় হলো একটি মেকানিক্যাল ট্রেডিং সিস্টেম অনুসরণ করা, যেখানে প্রতিটি ট্রেডে ন্যূনতম ১:২ রিস্ক-রিওয়ার্ড রেশিও নিশ্চিত থাকে।
স্ট্র্যাটেজি ১: SMC বা স্মার্ট মানি কনসেপ্ট দিয়ে হাই উইন-রেট অর্জন
স্মার্ট মানি কনসেপ্ট বর্তমানে প্রপ ফার্ম চ্যালেঞ্জে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এবং কার্যকর স্ট্র্যাটেজিগুলোর একটি।
এই পদ্ধতিতে লিকুইডিটি সুইপ এবং ব্রেক অফ স্ট্রাকচার বা BoS খুঁজে বের করে ট্রেড নেওয়া হয়।
ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডাররা যেখানে অর্ডার রাখেন সেই জোনগুলো চিহ্নিত করতে পারলে উইন-রেট উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
CHoCH বা চেঞ্জ অফ ক্যারেক্টার কনফার্ম হওয়ার পর এন্ট্রি নিলে ফলস সিগন্যালের সংখ্যা কমে আসে। প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশনে ধারাবাহিক মুনাফার জন্য SMC স্ট্র্যাটেজি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য কাঠামো প্রদান করে।
স্ট্র্যাটেজি ২: লন্ডন সেশন ব্রেকআউট দিয়ে ডে-ট্রেডিং
লন্ডন সেশন ব্রেকআউট প্রপ চ্যালেঞ্জের জন্য আদর্শ কারণ এই সেশনে ভলিউম সবচেয়ে বেশি থাকে এবং মুভমেন্ট সুস্পষ্ট হয়।
বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টার পর এশিয়ান সেশনের হাই এবং লো ব্রেক করে গোল্ড যে দিকে যায় সেদিকে এন্ট্রি নেওয়াই এই স্ট্র্যাটেজির মূল নিয়ম।
ভলিউম কনফার্মেশন এবং ক্যান্ডেল ক্লোজের পর এন্ট্রি নিলে ফলস ব্রেকআউটের ঝুঁকি কমে। ইভাল্যুয়েশনের সময় এই স্ট্র্যাটেজিতে দিনে একটি বা দুটি মানসম্পন্ন ট্রেড নেওয়াই যথেষ্ট।
স্ট্র্যাটেজি ৩: ইনস্টিটিউশনাল সাপ্লাই এবং ডিমান্ড জোন থেকে ট্রেড
সাধারণ রিটেইল সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্সের বদলে বড় ইনস্টিটিউশনাল সাপ্লাই এবং ডিমান্ড জোন থেকে ট্রেড নেওয়া প্রপ চ্যালেঞ্জে সাফল্যের সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
এই জোনগুলো H4 বা ডেইলি চার্টে চিহ্নিত করে M15 বা M5 চার্টে এন্ট্রি নিতে হয়। প্রতিটি ট্রেডে সর্বোচ্চ ০.৫% রিস্ক এবং কমপক্ষে ১:২ রিস্ক রিওয়ার্ড রেশিও নিশ্চিত করতে হবে।
নিচের টেবিলে দেখুন সঠিক রিস্ক রিওয়ার্ড রেশিও মেনে চললে মাত্র ৪০% উইন-রেটেও কীভাবে ইভাল্যুয়েশন পাস করা সম্ভব:
| মোট ট্রেড | উইন-রেট | জয়ী ট্রেড | পরাজিত ট্রেড | রিস্ক রিওয়ার্ড | মোট ফলাফল |
| ২০টি | ৪০% | ৮টি | ১২টি | ১:২ | +৪% মুনাফা |
| ২০টি | ৫০% | ১০টি | ১০টি | ১:২ | +১০% মুনাফা |
| ২০টি | ৬০% | ১২টি | ৮টি | ১:২ | +১৬% মুনাফা |
| ২০টি | ৪০% | ৮টি | ১২টি | ১:১ | মোট ব্রেক-ইভেন |
| ২০টি | ৪০% | ৮টি | ১২টি | ১:৩ | +৮% মুনাফা |
ট্রেডিং জার্নাল: ফান্ডেড হওয়ার গোপন অস্ত্র
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে ট্রেডিং জার্নালকে অবমূল্যায়ন করা সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি, কারণ নিজের ভুলের প্যাটার্ন না চিনলে একই ভুল বারবার করে ইভাল্যুয়েশন ফেইল হওয়া শুধু সময়ের ব্যাপার।
ট্রেডিং জার্নাল কেন ইভাল্যুয়েশনে গেম চেঞ্জার
একজন ট্রেডার যতক্ষণ না প্রতিটি ট্রেডের রেকর্ড লিখে রাখছেন, ততক্ষণ তার ভুলগুলো তার কাছে অদৃশ্যই থেকে যায়।
জার্নাল রাখলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যায় কোন সেশনে বেশি লস হচ্ছে, কোন পেয়ারে উইন-রেট কম এবং কোন পরিস্থিতিতে ইমোশনাল সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
ফান্ডেড অ্যাকাউন্ট অর্জনের ক্ষেত্রে অনেক সফল ট্রেডার জার্নালকেই তাদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার মনে করেন।
ডেটা দেখলে আবেগের জায়গায় যুক্তি কাজ করে এবং ট্রেডিং সিদ্ধান্ত অনেক বেশি নিয়মতান্ত্রিক হয়ে ওঠে।
জার্নালে কী কী তথ্য লিখবেন
একটি কার্যকর ট্রেডিং জার্নালে শুধু এন্ট্রি এবং এক্সিট প্রাইস লিখলেই চলে না, প্রতিটি ট্রেডের পেছনের কারণ এবং সেই মুহূর্তের মানসিক অবস্থাও লেখা জরুরি।
নিচের টেবিলে একটি আদর্শ জার্নালের কাঠামো দেওয়া হলো:
| তথ্যের ধরন | কী লিখবেন | কেন জরুরি |
| এন্ট্রি কারণ | সেটআপের বিবরণ | ভুল এন্ট্রির প্যাটার্ন চেনা যায় |
| এন্ট্রি ও এক্সিট প্রাইস | সঠিক মূল্য | রিস্ক রিওয়ার্ড যাচাই করা যায় |
| লট সাইজ ও রিস্ক | ডলারে পরিমাণ | ওভার-লেভারেজ ধরা পড়ে |
| ফলাফল | লাভ বা লসের পরিমাণ | উইন-রেট হিসাব করা যায় |
| ইমোশনাল অবস্থা | FOMO, রিভেঞ্জ বা শান্ত | মানসিক দুর্বলতা চিহ্নিত হয় |
| শিক্ষা | ট্রেড থেকে কী শিখলেন | ভবিষ্যতে একই ভুল এড়ানো যায় |
জার্নাল বিশ্লেষণ করে ইভাল্যুয়েশন কৌশল উন্নত করা
প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার জার্নাল পর্যালোচনা করা প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
পর্যালোচনার সময় খেয়াল করুন কোন দিন বা সেশনে উইন-রেট বেশি, কোন স্ট্র্যাটেজিতে রিস্ক রিওয়ার্ড সবচেয়ে ভালো আসছে এবং কোন পরিস্থিতিতে নিয়ম ভাঙার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
এই বিশ্লেষণ থেকে আপনি ধীরে ধীরে একটি ব্যক্তিগত ট্রেডিং প্ল্যান তৈরি করতে পারবেন যা আপনার নিজের শক্তি এবং দুর্বলতার ওপর ভিত্তি করে গড়া।
জার্নাল ছাড়া ট্রেডিং উন্নতি অনুমানের উপর নির্ভর করে, কিন্তু জার্নাল থাকলে প্রতিটি সিদ্ধান্ত ডেটার উপর দাঁড়িয়ে থাকে।
SMC ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি এবং লিকুইডিটি হান্টিং
SMC বা স্মার্ট মানি কনসেপ্ট বোঝা এখন প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত, কারণ মার্কেট মেকাররা ঠিক কোথায় এবং কেন প্রাইস নিয়ে যান সেটা বুঝতে পারলে আপনি রিটেইল ট্রেডারদের ফাঁদ থেকে সহজেই বের হয়ে আসতে পারবেন।
লিকুইডিটি হান্টিং কীভাবে কাজ করে
মার্কেট মেকাররা সবসময় সেই জায়গাগুলো টার্গেট করেন যেখানে সবচেয়ে বেশি স্টপ লস জমা আছে। অধিকাংশ রিটেইল ট্রেডার সুইং হাই বা সুইং লোর ঠিক উপরে বা নিচে স্টপ লস রাখেন।
ইনস্টিটিউশনাল ট্রেডাররা সেই লেভেলে প্রাইস নিয়ে গিয়ে স্টপ লস হিট করান এবং তারপর আসল মুভমেন্ট শুরু করেন। এই প্রক্রিয়াকেই লিকুইডিটি হান্টিং বলা হয়।
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে লিকুইডিটি হান্টিং বোঝা তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আপনাকে ভুল জায়গায় স্টপ লস রাখা থেকে বিরত রাখে এবং স্মার্ট মানির সাথে ট্রেড করতে সাহায্য করে।
অর্ডার ব্লক এবং ব্রেক অফ স্ট্রাকচার চেনার পদ্ধতি
SMC স্ট্র্যাটেজির দুটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কনসেপ্ট হলো অর্ডার ব্লক এবং ব্রেক অফ স্ট্রাকচার বা BoS। অর্ডার ব্লক হলো সেই ক্যান্ডেলটি যেখান থেকে প্রাইস শেষবার শক্তিশালী মুভমেন্ট দিয়েছিল।
এই ক্যান্ডেলের জোনে প্রাইস ফিরে এলে সেখান থেকে আবার মুভমেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। BoS কনফার্ম হলে বোঝা যায় ট্রেন্ড পরিবর্তন হচ্ছে এবং নতুন দিকে এন্ট্রি নেওয়া যাবে।
নিচের টেবিলে SMC এবং প্রচলিত রিটেইল স্ট্র্যাটেজির মূল পার্থক্য দেখানো হলো:
| বিষয় | রিটেইল স্ট্র্যাটেজি | SMC স্ট্র্যাটেজি |
| এন্ট্রি পয়েন্ট | সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্স লেভেল | অর্ডার ব্লক এবং ইমব্যালেন্স জোন |
| স্টপ লস | সুইং হাই বা লোর কাছে | লিকুইডিটি জোনের বাইরে |
| ট্রেন্ড নির্ধারণ | মুভিং অ্যাভারেজ | BoS এবং CHoCH |
| মার্কেট বোঝার ধরন | ইন্ডিকেটর নির্ভর | প্রাইস স্ট্রাকচার নির্ভর |
| রিস্ক রিওয়ার্ড | সাধারণত ১:১ | সাধারণত ১:৩ বা বেশি |
SMC দিয়ে ছোট স্টপ লস এবং বড় প্রফিট টার্গেট নির্ধারণ
SMC স্ট্র্যাটেজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি স্টপ লস ছোট রাখে এবং প্রফিট টার্গেট বড় করে।
অর্ডার ব্লকের ঠিক নিচে বা উপরে স্টপ লস রাখলে মাত্র ১০ থেকে ১৫ পিপসের রিস্কে ৩০ থেকে ৫০ পিপসের প্রফিট টার্গেট নেওয়া সম্ভব হয়।
এই ধরনের ট্রেড সেটআপ প্রপ ফার্মের ড্রডাউন লিমিট সুরক্ষা করার জন্য আদর্শ।
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে SMC তাই শুধু একটি স্ট্র্যাটেজি নয়, এটি মার্কেটকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার একটি পদ্ধতি যা দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডারকে ইনস্টিটিউশনাল মুভমেন্টের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম করে।
রোবট বা EA দিয়ে কি প্রপ ফার্ম পাস করা যায়?
রোবট বা EA ব্যবহার করে প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে অনেকেই অটোমেটেড ট্রেডিংকে শর্টকাট মনে করেন, কিন্তু সঠিক নিয়ম না জেনে EA ব্যবহার করলে অ্যাকাউন্ট ব্যান থেকে শুরু করে পেআউট বাতিল পর্যন্ত যেকোনো পরিণতি হতে পারে।
EA দিয়ে প্রপ ফার্ম পাস করা কি আদৌ সম্ভব?
সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো হ্যাঁ, তবে শর্তসাপেক্ষে। সব প্রপ ফার্ম EA বা এক্সপার্ট অ্যাডভাইজর ব্যবহারের অনুমতি দেয় না এবং যারা দেয় তারাও নির্দিষ্ট ধরনের EA সীমাবদ্ধ করে রাখে।
উইমাস্টারট্রেডে নিজের তৈরি বা অনুমোদিত EA ব্যবহার করা সম্ভব, তবে ব্যবহারের আগে তাদের নির্দিষ্ট পলিসি ভালোভাবে পড়ে নেওয়া জরুরি।
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে EA ব্যবহার করতে চাইলে সবার আগে ব্রোকারের আইপি অ্যাড্রেস রেস্ট্রিকশন এবং কপি ট্রেডিং পলিসি যাচাই করতে হবে।
অনুমোদন ছাড়া EA ব্যবহার করলে পুরো ইভাল্যুয়েশন বাতিল হয়ে যেতে পারে।
কোন ধরনের EA অনুমোদিত এবং কোনটি নিষিদ্ধ
সব EA এক রকম নয় এবং প্রপ ফার্মগুলো বিভিন্ন ধরনের অটোমেটেড সিস্টেমের বিষয়ে আলাদা নিয়ম রাখে। নিচের টেবিলে সাধারণত অনুমোদিত এবং নিষিদ্ধ EA এর ধরন দেখানো হলো:
| EA এর ধরন | সাধারণ স্ট্যাটাস | কারণ |
| নিজের তৈরি কাস্টম EA | অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুমোদিত | নিজস্ব লজিকে কাজ করে |
| সেমি-অটোমেটেড EA | সাধারণত অনুমোদিত | ট্রেডার সিদ্ধান্তে যুক্ত থাকেন |
| হাই-ফ্রিকোয়েন্সি ট্রেডিং বা HFT | প্রায়ই নিষিদ্ধ | সার্ভারে অতিরিক্ত লোড তৈরি করে |
| কপি ট্রেডিং সফটওয়্যার | ফার্মভেদে ভিন্ন | তৃতীয় পক্ষের সিগন্যাল ব্যবহার করে |
| আর্বিট্রেজ EA | সাধারণত নিষিদ্ধ | মার্কেটের দুর্বলতা কাজে লাগায় |
| নিউজ ট্রেডিং EA | ফার্মভেদে ভিন্ন | অস্থির মার্কেটে অতিরিক্ত রিস্ক তৈরি করে |
ম্যানুয়াল দক্ষতা ছাড়া EA নির্ভরতার বিপদ
EA দিয়ে ইভাল্যুয়েশন পাস করলেও ফান্ডেড অ্যাকাউন্টে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে ম্যানুয়াল ট্রেডিং দক্ষতা থাকা আবশ্যক।
মার্কেটের পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে বেশিরভাগ EA ব্যর্থ হয় কারণ এগুলো নির্দিষ্ট মার্কেট কন্ডিশনের জন্য তৈরি।
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে EA কে সহায়ক টুল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু এটিকে একমাত্র ভরসা করা ঝুঁকিপূর্ণ।
নিজে মার্কেট বিশ্লেষণ করার দক্ষতা অর্জন করলে EA বন্ধ হয়ে গেলেও ট্রেডিং চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে ফান্ডেড ট্রেডার হিসেবে টিকে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
উইমাস্টারট্রেড চ্যালেঞ্জ কীভাবে পাস করব: একটি ১০ ধাপের রোডম্যাপ
উইমাস্টারট্রেড চ্যালেঞ্জ পাস করা কঠিন মনে হলেও প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ অনুসরণ করলে সাফল্যের সম্ভাবনা অনেকগুণ বেড়ে যায়, কারণ পরিকল্পনা ছাড়া ট্রেডিং এবং জুয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
ধাপ ১ থেকে ৫: ভিত্তি গড়ার পর্যায়
প্রথম পাঁচটি ধাপ মূলত আপনার ট্রেডিংয়ের কাঠামো তৈরি করে।
- প্রথম ধাপে একটি প্রুভেন স্ট্র্যাটেজি বেছে নিন এবং চ্যালেঞ্জ শুরুর আগে সেটি কমপক্ষে দুই থেকে তিন সপ্তাহ ডেমো অ্যাকাউন্টে অনুশীলন করুন।
- দ্বিতীয় ধাপে ডেইলি লস লিমিট ৩ শতাংশে বেঁধে রাখুন যাতে উইমাস্টারট্রেডের ৫ শতাংশ অফিশিয়াল লিমিটের কাছাকাছি কখনো না যান।
- তৃতীয় ধাপে প্রতিটি ট্রেডে সর্বোচ্চ ০.৫ শতাংশ রিস্ক নিন।
- চতুর্থ ধাপে প্রতিদিন ট্রেড শুরুর আগে হাই-ইমপ্যাক্ট নিউজ ক্যালেন্ডার চেক করুন এবং বড় নিউজের আগে পজিশন এড়িয়ে চলুন।
- পঞ্চম ধাপে দিনে সর্বোচ্চ তিনটি ট্রেড নেওয়ার নিয়ম তৈরি করুন এবং ওভারট্রেডিং থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।
ধাপ ৬ থেকে ১০: সাফল্য নিশ্চিত করার পর্যায়
শেষ পাঁচটি ধাপ প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে সবচেয়ে বেশি কাজে আসে।
- ষষ্ঠ ধাপে প্রফিট টার্গেট অর্জনে তাড়াহুড়ো না করে ধৈর্য ধরুন কারণ তাড়াহুড়ো করলেই ইমোশনাল ট্রেড হয়।
- সপ্তম ধাপে EURUSD বা GBPUSD এর মতো বড় এবং লিকুইড পেয়ারে মনোযোগ দিন যেখানে স্প্রেড কম এবং মুভমেন্ট পরিষ্কার।
- অষ্টম ধাপে লন্ডন বা নিউইয়র্ক সেশনে ট্রেড করুন যখন ভলিউম সবচেয়ে বেশি থাকে। নবম ধাপে প্রতিটি ট্রেডের বিবরণ ট্রেডিং জার্নালে লিখে রাখুন।
- দশম ধাপে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন কারণ ক্লান্ত মস্তিষ্ক ভুল সিদ্ধান্ত নেয়।
১০ ধাপের রোডম্যাপ এক নজরে
| ধাপ | করণীয় | লক্ষ্য |
| ১ | প্রুভেন স্ট্র্যাটেজি বেছে নিন | ডেমোতে অনুশীলন করুন |
| ২ | ডেইলি লস ৩% এ সীমাবদ্ধ রাখুন | ড্রডাউন লিমিট সুরক্ষা করুন |
| ৩ | প্রতি ট্রেডে ০.৫% রিস্ক নিন | অ্যাকাউন্ট দীর্ঘস্থায়ী রাখুন |
| ৪ | নিউজ ক্যালেন্ডার চেক করুন | বড় মুভমেন্ট এড়িয়ে চলুন |
| ৫ | দিনে সর্বোচ্চ ৩টি ট্রেড নিন | ওভারট্রেডিং বন্ধ করুন |
| ৬ | প্রফিট টার্গেটে তাড়াহুড়ো করবেন না | ইমোশনাল ট্রেড এড়ান |
| ৭ | বড় পেয়ারে ফোকাস করুন | কম স্প্রেডে ট্রেড করুন |
| ৮ | লন্ডন বা নিউইয়র্ক সেশনে ট্রেড করুন | ভলিউম কাজে লাগান |
| ৯ | ট্রেডিং জার্নাল মেইনটেইন করুন | ভুল থেকে শিখুন |
| ১০ | পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন | মানসিক চাপ কমান |
প্রপ ফার্মে টিকে থাকার জন্য লট সাইজ ম্যানেজমেন্ট
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে লট সাইজ ম্যানেজমেন্ট সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত হয়, অথচ একটি ভুল লট সাইজ সিদ্ধান্তই পুরো ইভাল্যুয়েশন শেষ করে দিতে যথেষ্ট।
লট সাইজ এবং রিস্ক পার্সেন্টেজের সম্পর্ক
অনেক ট্রেডার মনে করেন বেশি লট নিলে দ্রুত প্রফিট টার্গেট পূরণ হবে। কিন্তু এই চিন্তাভাবনাই ইভাল্যুয়েশন ফেইলের সবচেয়ে সাধারণ কারণ।
সঠিক লট সাইজ নির্ধারণ করতে হলে আগে ঠিক করতে হবে প্রতি ট্রেডে আপনি কত শতাংশ রিস্ক নিতে চান। প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল হিসেবে প্রতি ট্রেডে সর্বোচ্চ ০.৫ শতাংশ রিস্ক নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
এরপর স্টপ লসের পিপস সংখ্যা এবং অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সের ওপর ভিত্তি করে লট সাইজ গণনা করতে হবে।
লট সাইজ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করলে এই হিসাব মুহূর্তের মধ্যে করা সম্ভব এবং আবেগের বশে ভুল লট নেওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।
বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট সাইজে ০.৫% রিস্কে সঠিক লট সাইজ
নিচের টেবিলে ৫০ পিপস স্টপ লসে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট সাইজে ০.৫ শতাংশ রিস্কে সঠিক লট সাইজ দেখানো হলো:
| অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স | ০.৫% রিস্ক (USD) | স্টপ লস (পিপস) | সঠিক লট সাইজ | প্রতি পিপসে মূল্য |
| $১০,০০০ | $৫০ | ৫০ | ০.১০ | $১.০০ |
| $২৫,০০০ | $১২৫ | ৫০ | ০.২৫ | $২.৫০ |
| $৫০,০০০ | $২৫০ | ৫০ | ০.৫০ | $৫.০০ |
| $১০০,০০০ | $৫০০ | ৫০ | ১.০০ | $১০.০০ |
| $২০০,০০০ | $১,০০০ | ৫০ | ২.০০ | $২০.০০ |
ডিসিপ্লিনড লট সাইজ মেনে চলার দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা
প্রপ ফার্মে শুধু ইভাল্যুয়েশন পাস করাই যথেষ্ট নয়, ফান্ডেড হওয়ার পরেও একই ডিসিপ্লিন বজায় রাখতে হয়।
ফান্ডেড অ্যাকাউন্টে লট সাইজ বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে অনেক ট্রেডার ইমোশনাল হয়ে পড়েন এবং বড় লটে ট্রেড নিতে শুরু করেন।
এই অভ্যাস ড্রডাউন লিমিট দ্রুত হিট করায় এবং ফান্ডেড অ্যাকাউন্ট হারানোর ঝুঁকি তৈরি করে। প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার কৌশল এবং ফান্ডেড অ্যাকাউন্টে টিকে থাকার কৌশল মূলত একই, শুধু ব্যালেন্সের অঙ্ক বদলায় কিন্তু রিস্ক পার্সেন্টেজের নিয়ম কখনো বদলানো উচিত নয়।
ডিসিপ্লিনই আপনার আসল মূলধন
প্রপ ফার্মের চ্যালেঞ্জ মূলত একটি গাণিতিক যুদ্ধ। আপনি যদি ইমোশন দূরে সরিয়ে উইমাস্টারট্রেডের (WeMasterTrade) ৫% ডেইলি ড্রডাউন রুলস এবং সঠিক রিস্ক রিওয়ার্ড মেনে চলতে পারেন, তবে ফান্ডেড হওয়া কেবল সময়ের ব্যাপার। আজই সঠিক নিয়মে ট্রেড শুরু করুন এবং নিজের ট্রেডিং স্কিলকে পেশাদারি পর্যায়ে নিয়ে যান।
মনে রাখবেন, মার্কেট প্রতিদিন সুযোগ দেয়, কিন্তু মূলধন একবার চলে গেলে সুযোগ আর থাকে না।
প্রপ চ্যালেঞ্জ নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রপ ফার্ম ইভাল্যুয়েশন পাস করার সবচেয়ে সহজ স্ট্র্যাটেজি কোনটি?
১:২ রিস্ক-রিওয়ার্ড রেশিও এবং কঠোরভাবে ডেইলি ড্রডাউন লিমিট মেনে চলা।
উইমাস্টারট্রেডের ৫% ডেইলি ড্রডাউন কীভাবে হিসাব করা হয়?
দিনের শুরুর ব্যালেন্স বা ইকুইটির ৫% লস হলে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ হয়ে যায়।
প্রপ ফার্ম চ্যালেঞ্জ পাস করতে সাধারণত কত দিন সময় লাগে?
উইমাস্টারট্রেডে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, আপনি আপনার সুবিধামতো সময় নিয়ে টার্গেট পূরণ করতে পারেন।
উইমাস্টারট্রেড চ্যালেঞ্জের সময় কি নিউজ ট্রেডিং করা যায়?
হ্যাঁ, তবে নিউজের সময় তীব্র ভোলাটিলিটির কারণে লট সাইজ কমিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
আমি কি রোবট বা EA (Expert Advisor) ব্যবহার করে ইভাল্যুয়েশন পাস করতে পারব?
হ্যাঁ, যদি সেই EA আপনার নিজস্ব হয় এবং কোনো নিষিদ্ধ স্ট্র্যাটেজি (যেমন আর্বিট্রেজ) ব্যবহার না করে।


